Friday, March 3, 2023

নানা আলেমদের নানা পরামর্শ তবে আমি কাকে করব অনুসরন?

 এই প্রশ্নটা আজকাল অনেকের মনে রয়েছে । কেউ কেউ প্রকাশ করেন কেউবা মনের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছেন। প্রশ্নটা হলো

নানা আলেমদের নানা পরামর্শ তবে আমি কাকে করব অনুসরন?

হ্য ভাবুন আয় পরিক্ষার হলে যখন যাবেন তার আগে যদি আপনি প্রশ্ন করেন নানা রকমের প্রশ্ন আসতে পারে আমিই কোন প্রশ্নটা পরতে পারি। উত্তর হবে সিলেবাস দেখ। কেহো কেহো ঘুরে বেরায় প্রশ্ন সিলেকশন করে দেয়া যা আমরা পরিচিত ছিলম দাহিয়ে দেয়া। এরপর পেতেছিলাম এমন প্রশ্ন ব্যাংক বা সাজেসন বই। যেখানে কিছু প্রশ্নের ধরন দেয়া ছিল। আর এ গাইড গুলোতে ছিলো প্রায় মুলবইয়ের সকল প্রশ্ন। এর উপর আমরা আবার সাজেশনের উপর সাজেশন নিতাম।


প্রশ্ন হলো কাদের কাছ থেকে? 


অধিকাংশ সময় যাহারা এই পরিক্ষায় উত্তির্ন হয়ে গেছে । আমাদের পক্ষে এমন লোক পাওয়া সম্ভব নয় যে আমরা যানি এ আলেম এ দুনিয়ার পরিক্ষা উত্তির্ন হয়ে গেছে। আমাদের খুজতে হবে আমাদের মুল গ্রন্থের সাথে কাদের সম্পর্ক আছে। 

আমাদের মুল গ্রন্থ কুরান ও হাদিস গ্রন্থ। এখন প্রশ্ন হলো এ কুরান হাদির কাহারা পরেন কাহারা পরেন না। এটা যানতে সহজ পথ আমাকেই পরতে হবে। পড়তে হবে নিজ ভাসায় অনুবাদ । এখানে অনুবাদ গুলো যে কোনো এক জনের নয় না না সময় নানা গ্রন্থ পড়তে হবে। এরপড় হয়তো আমাদের এ সমস্যার সমাথান পাবনা পুরোপুরি। আর এই ভাবেই পরিক্ষা নিতে পছন্ধ করেরন আমাদের সৃষ্টিকর্তা। যা আমি সুরা ইমরানের অনুবাদ পড়তে গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে। আমাদের এ খোজাখুজি এবং খুজে পাওয়া সরল পথ কোনো প্রশ্ন ছারাই তার আদেশের কাছে মাথা নত করে দেয়া নিযের পুর্বের সকল জ্ঞান ছুরে ফেলে দেয়া পিছনের ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া এটাই তার কাছে পছন্দ। এটা আমার মতামত ভুল ত্রুটির সমালোচনা আশা করি সকলের কাছে। 

Wednesday, December 21, 2022

সময় কি? সময় নিয়ে যত কথা সময় নিয়ো উক্তি

 সময় আমরা তখন অনুভব করি যখন পার্শর্তি কোনো কিছুর পরিবর্তন দেখি। ধরুন আপনার কাছের কোনো কিছুই পরিবর্তন হচ্ছেনা। ঘরির কাটা ঘুরছে না আপনার শরিরের বৃদ্ধি বা কমতি হচ্ছে না। কোনো ব্যথা বা শুখানুবুতি নেই আপনার। ভাবুনতো এখানে আপনি সময়ের অনুভুতি পাবেন কিনা? এমন জগতে সময় বলে কিছু আছে কিনা। 


সময় কি? আমরা ঘড়ির কাটায় বা সংক্ষায় সময়ের যে পরিমাপ করি সেই সময়কে নিয়ে কখনো ভেবেছেন কি? সময় কি ভাবে হয় । মহা জগতের কি সময় আছে ? আমরা পরিবর্তন দেখি আমাদের চারপাশের আর এ পরিবর্তন থেকেই আমরা সময়ের অনুভুতি সময়ের পরিমাপ করে থাকি। 


সময় দেখা যায়না । ধরে রাখা যায়না। এখানে প্রতিবাদ করতে পারের অনেকে ক্যামেরায় বা রেকর্ডারের মাধ্যমে আমরা সৃতি হিসেবে হলেও সময় ধরে রাখছি। কিন্তু সময় কি এখনো ধরে রাখা যায় । 


আবার আমরা এ বিশ্বাস করি আমরা ধংশ করতে পারিনা। আমরা শুধু রুপান্তন করতে পারি। এ রুপান্তর আমারের চার পাশে প্রতিনিয়ত আপনা আপনি ঘটছে। আবার কখনো কখনো আমরা ঘটাচ্ছি। এ আপনা আপনি রুপান্তর থেকে আমরা সময় হিসাব করছি । কারন আপনা আপনি রুপান্তর গুলো একটা নিয়ম মেনে ঘটছে । 


এ রুপান্তর গুলোর নিয়ম মানার মধ্যে রযেছে এক মহাক্ষমতা ধরের হাত এমন বিশ্বাস করেন কেহ । কেহবা তা বিশ্বাস করতে চান না । যে যা করুন এ রুপান্তর কখনো কখনো তার ধারা পরিবর্তন করে নতুন ধারা নেয় । কিন্তু উল্টা পাল্টা করেনা কখনো। 


এ জন্যই আমরা সময়ের অস্তিত্য পাই। 


আসলে কি সময় বলে কিছু আছে? না কি পরিবর্তনে এ ধারা থেকেই সময়ের মাপকাঠি তৈরি করে নিয়েছি আমরা। 




থাকছে আরো পরের পোষ্টে থাকুন সাথে মন্তভ্য সহ .............................

Sunday, November 17, 2019

হাদিসে নেই এমন প্রচারনায় ভিব্রান্ত হচ্ছেন কি?

হাদিসে নেই এমন আমল করা যাবেনা। কুরান সুন্নাহ মতে চলতে আপনাকে সকর হাদিস জানতে হবে এমন কথা নেই। তবে কি করে চলব। জানা কতটা সম্ভব কতজন লোক সকর হাদিস মুখস্ত করে রেখেছে? কতজনের পক্ষে সম্ভব তা মুখস্ত করা। বাস্তবে কতজন কতটি হাদিসের নাম জানেন । মুল যে ছয় খানা হাদিস আছে তাহার নাম আপনার জানা আছে কি? 


Wednesday, October 16, 2019

আপনার সন্তান কি মানুষের মত মানুষ করতে চাচ্ছেন?

আমরা সবাই ভাবি আমার ছেলেমেয়েকে মানুষের মত মানুষ করব। কেউ কি কখনো ভেবেছি  এই মানুষের মত মানুষটা কেমন?
দেখতে আলাদা না কি আচারনে আলাদা?

সে দিন সকালে হাটছিলাম জাতীয় একটি ষ্টেডিয়ামের বারান্দা দিয়ে। বারান্দাতে ঘুমিয়ে ছিলো পথশিশু বলিলে ভুল হবে বলতে হয় পথ যুবক। ঘুম থেকে জাগেনি তখোনো তাহারা। যতটা মনে পড়ে আটটা  হবে সকাল। দুজন পুরুষ মহিলা শুয়ে শুয়ে গল্প করছিলেন কথা প্রসঙ্গে বলছিলেন “ ছেলেটাকে নিজ হাতে মানুষ করলাম  কিন্তু রাখতে পারলাম না” এরাও মানুষ করে!

মানুষ তো কত রকম হয়। শ্রমিকের কাছে শ্রম করার যোগ্যতা অর্জন করাই নতুন প্রজন্মের জন্য মানুষ হওয়া। চোরের কাছে চুরি বিদ্যা যথাযথ রপ্ত করাকে মানুষ হওয়া বলে। দুরদর্শি লোকদের কাছে দুরদর্শি না হওয়া অবদি ছেলেটি মানুষ হলোনা। আমার মনেহয় অধিকাংশ মানুষ মনে করেন দু-বেলা সম্মানের সাথে খেয়ে পরে বেচে থাকার যোগ্যতা অর্জনের নাম মানুষ হওয়া।

মানুষ
এমন কত হাজার রকম মানুষ আছে তা লিখলে কেহোবা আমাকে বলবে ঠিক বলেছে আবার কেহো বা খেপে যাবে কেনো এমন কথা বলিলাম । কেহো আবার আমাকে বিচারের সম্মুখে দার করানর চেষ্টা করবে। লেখাটা লেখার সময় অনেক গুলো লাইন মুছে ফেলেছি যাতে এই বুজি কাহারো আবেগে আঘাত করে।

আর সেই আগাত প্রপ্ত মানুষটি আমার উপরে তাহার মানবিয় গুন প্রয়োগ করে প্রমান করে দিবে সে মানুষ হয়েছে। আর আমি হয়েছিলাম অমানুষ।

আমি একটা ভিতু মানুষ তাই একটু বেশিই সাবধান থাকি। তাই এই মাত্র যে উদাহরনটা লিখতে হাত ইসপিস করছিল তা লিখলাম না ঐ মানুষ গুলোর ভয় ।




Saturday, June 8, 2019

যাকাত নিয়ে যত ভাবনা ও সমাধান

যাকাত দিতে হবে কাকে ?
যাকাত দিবো কখন?
যাকাতের হার কতো?
যাকাত না দিলে কি হবে?
যাকাত ফরজ এটা নিয়ে প্রতিটি মুসলিমের সঠিক তথ্য যেনে রাখা উচিত । তাতে আপনার জাকাত ফরজ হোক বা না হোক। জানাও ফরজ। শুধু জাকাত নয় ইসলামের সকল বিধি বিদান জানা ফরজ। জ্ঞান অর্জন ফরজ বলে থাকেন অনেকে তবে মুল কথা হলো ইসলামের সকল কিছুই জানা ফরজ। প্রশ্ন হলো আমি কি করে সকল কিছু জানব আমার তো এতো মেধা বা জীবনে সময় পাবোনা। সেখানে কথা হলো আপনি যতটুকু যানেন পালাক্রমে আরো সামনে অগ্রসর হতে হবে।

যাকাত কাকে দিব এমন প্রশ্ন জাগল মনে তা থেকেই লেখার আগ্রহটা জেগে উঠল। ঈদের পরের দিন ভাইয়া বলল ৪০/৪৫ হাজার টাকা যাহার জমা আছে তাহার তো জাকাত প্রধান করা ফরজ। এমন ব্যক্তিকে যদি তুমি জাকাত দাও তবে কি করে যাকাত আদায় হয়?

যাকাত দিতে হলে নেছাব শব্দটা জরিত । নেছাব মানে সারে সাত তোলা স্বর্ন বা সারে বায়ান্ন তোলা রুপা । আর এ সম্পদ আপনার কাছে এক বছর কাল থাকলেই আপনি যাকাত দিবেন । আর এ জাগাতের পরিমান প্রতি একশত টাকায় আড়াই টাকা ২টাকা পঞ্চাশ পয়শা করে মানে হলো এক হাজার টাকায় পচিশ টাকা।
সেচ ছাড়া ফসল ফলালে দশ ভাগের একভাগ জাকাত দিতে হয়। সেচ দিয়ে উতপাদন করা হলে বিশ ভাগের একভাগ।
এখন আসুন কি করে বল্ল যে ৪০/৪৫ হাজারে যাকাত দিতে হবে।

এখন বাজারে এক তোলা স্বর্নের দাম কত?
১ তোলা সমান ১ বরি  বা ১১.৬৬৩৮০.... গ্রাম।
যাহার মূল্য আনুমানিক ৫০ হাজার হলে সারে সাত ভরির মূল্য ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার

Saturday, May 11, 2019

আযানের উত্তর দেওয়া নিয়ে রাসূল সাঃ এর আদেশ

নামাজের জন্য আজান শুনে থাকি ছোটবেলা থেকে । আর আজান শুনলে্‌ই সতর্ক হয়ে যেতেন আমার মা বাবা । দেখেছি তাদের আজানের জাবব দিতে। শিখিয়েছেন আমাদের গ্রামের ওস্তাদরা এ জবাবের বিস্তারিত।

হঠাত করে কে যেনো শোনালো কাহারা নাকি বলে থাকেন আজানের জবাব মানে নামাজে যাওয়া। কথাটা ভালোই লাগলো। তখন থেকেই উত্তর বলেন আর জওয়াব বলেন নিয়মিত দিতাম না ।
একদিন মনে প্রশ্ন এল এটা কি ঠিক হচ্ছে? নাকি আমার ছোটবেলার ওস্তাদরা ঠিক ছিলো?
জানার চেষ্টা করতে গিয়ে এ ভিডিওটা পর্যন্ত আসলাম। এ ভিডিওটা দেখবেন ভুল ত্রুটির জন্য কমেন্স করবেন।সকলের সাথে শেয়ার করবেন । সত্য ও সুন্দরের সাথে আমরা সবাই।